
ফলিত
পরিসংখ্যান: একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে
ফলিত পরিসংখ্যান বিষয়ক ৩-দিনব্যাপী এক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ২৭ ডিসেম্বর
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে শুরু হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সুবর্ণ জয়ন্তী
উপলক্ষে এই সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ
আলী এমপি প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন।
পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউটের পরিচালক মোহাম্মদ শোয়ায়েব-এর
সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ
আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন। সম্মেলন আয়োজক
কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম সেকান্দার হায়াত খান স্বাগত বক্তব্য দেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এমপি একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ
মোকাবেলা এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালনের জন্য
পরিসংখ্যানবিদদের প্রতি আহ্বান জানান। এই সম্মেলন পরিসংখ্যানবিদদের একটি
কমন প্ল্যাটফর্ম তৈরী ও গবেষণার মান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে
তিনি আশা প্রকাশ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমান সরকারের ‘রূপকল্প-২০২১
বাস্তবায়নে কার্যকর অবদান রাখার জন্য শিক্ষক ও গবেষকদের প্রতি আহ্বান
জানান।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্তের অভাবে দেশের অনেক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে অসুবিধার সন্মুখীন হতে হচ্ছে। এসব সমস্যা নিরসনে আলোকবর্তিকা হিসাবে এগিয়ে আসার জন্য তিনি পরিসংখ্যাণের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ৩০ লাখ শহীদের স্বপ্নপূরণ এবং মৌলবাদ, অসভ্যতা, অপুষ্টি, নিরক্ষরতা, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষকদের নিরলসভাবে কাজ করতে হবে। ফলিত পরিসংখ্যানকে তিনি সমকালীন উন্নয়ন সমস্যা ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ নিরুপনের নির্ভুল মাপকাঠি হিসাবে বর্ণনা করে বলেন, বিশ্বের পরিসংখ্যান পদ্ধতি ও কৌশলসমূহ প্রতিদিনই উন্নত হচ্ছে। এসব নতুন নতুন কৌশল ও পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক ডাটাবেজ তৈরী এবং অর্থনৈতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমাদেরকেও উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের দেড় শতাধিক প্রতিনিধি এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্তের অভাবে দেশের অনেক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে অসুবিধার সন্মুখীন হতে হচ্ছে। এসব সমস্যা নিরসনে আলোকবর্তিকা হিসাবে এগিয়ে আসার জন্য তিনি পরিসংখ্যাণের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ৩০ লাখ শহীদের স্বপ্নপূরণ এবং মৌলবাদ, অসভ্যতা, অপুষ্টি, নিরক্ষরতা, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষকদের নিরলসভাবে কাজ করতে হবে। ফলিত পরিসংখ্যানকে তিনি সমকালীন উন্নয়ন সমস্যা ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ নিরুপনের নির্ভুল মাপকাঠি হিসাবে বর্ণনা করে বলেন, বিশ্বের পরিসংখ্যান পদ্ধতি ও কৌশলসমূহ প্রতিদিনই উন্নত হচ্ছে। এসব নতুন নতুন কৌশল ও পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক ডাটাবেজ তৈরী এবং অর্থনৈতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমাদেরকেও উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের দেড় শতাধিক প্রতিনিধি এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন।





Post a Comment